প্রকৃত ঈদ
আর ক'দিন পরেই ঈদ। ঈদ মানে খুশি, আনন্দ। এই আনন্দ-খুশি অনেকের অনেকভাবে হয়ে থাকে। ছেলে-মেয়েরা ঈদ উদযাপন করে নিজেদের বায়না পূরণ করে। তাদের অভিভাবক বায়না পূরণ করে দিলেই তারা মহাখুশি। বড়রা ঈদ উদযাপন করে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে ঘুরেফিরে।
ব্যবসায়ীরা ঈদ উদযাপন করে ব্যবসার লাভ নিয়ে। শ্রমিক-চাকুরীজীবীরা ঈদ উদযাপন করে বোনাস পেয়ে। কেউ ঈদ উদযাপন করে দীর্ঘদিন পর গ্রামে গিয়ে সকলের সাথে দেখা সাক্ষাত করে। অনেকের আবার ঈদ হয় জুয়া খেলে কিংবা প্রেমময়ী সাক্ষাত দিয়ে। যাই হোক একেক জনের ঈদ হয় একেকভাবে কিন্তু প্রকৃত ঈদ কী তা কিন্তু অনেকেরই অজানা।
মূলত রমজানের ঈদ হলো রোজাদারের জন্য। আর কুরবানীর ঈদ হলো পশু কুরবানকারীর জন্য।
একজন রোজাদার সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও জৈবিক চাহিদা থেকে বিরত থাকে, দীর্ঘ সময় রাতের নামাজ পড়ে। রোজা রাখার কারণে দৃষ্টি হেফাজত করে। গান-বাজনা ও সিনেমা দেখা বন্ধ করে। মিথ্যা, গিবত, চোগলখোরী ও বিভিন্ন পাপকাজ, হারামকাজ থেকে বিরত থাকে। সবশেষে যখন সে একটি রাত ও দিন শেষ করে ইফতারের মাধ্যমে, তখন তার মন আনন্দে পুলকিত হয়ে ওঠে। তাই তো আল্লাহ তা'আলা বলেন "রোজাদারের দু'টি খুশি। ১) ইফতারের সময় ও ২) আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের সময়।"
কিন্তু যখন ৩০ দিনে ৩০ রাতের নামাজ ও ৩০টা রোজার এক সাথে পূর্ণতা লাভ হয় এবং এই বিশ্বাসে উপনিত হয় যে এখন আল্লাহ হয়তো আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিয়ে আমার উপর রাজি হবেন তখন রোজাদারের মনে মহা আনন্দের জোয়ার ওঠে। এই মহা আনন্দের জোয়ারই হলো প্রকৃত ঈদ। যা বেনামাজি ও বেরোজাদারের ভাগ্যে জোটে না।
একজন অটো রিকশাচালক যখন ৫/১০ টাকার জন্য ঝগড়া করে কিংবা ক্যাডারের কাছে ভাড়া চাইতে গিয়ে মার খায় সেও কিন্তু তার স্ত্রীকে হাজার টাকা উপহার দিয়ে কিংবা তার স্বপ্নের পথে হাটা সন্তানের পড়াশুনার খরচ বহনের জন্য হাজার হাজার টাকা ব্যয় করে আত্মতৃপ্তি লাভ করে।
ঠিক এভাবেই যখন আল্লাহর বান্দা নিজের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে পশু কিনে আল্লাহর জন্য জবাই করে(ফ্রিজ ভর্তির জন্য নয়) এবং এই বিশ্বাসে উপনীত হয় যে হয়তো আল্লাহ আমার প্রতি খুশি হয়েছেন তখন তার হৃদয়ে মহা আনন্দের জোয়ার ওঠে এই জোয়ারই হলো প্রকৃত ঈদ যা গোশতখোরদের ভাগ্যে জোটে না।
আল্লাহ তুমি আমাদেরকে প্রকৃত ঈদ উপলব্ধি করার তাওফিক দাও।
ব্যবসায়ীরা ঈদ উদযাপন করে ব্যবসার লাভ নিয়ে। শ্রমিক-চাকুরীজীবীরা ঈদ উদযাপন করে বোনাস পেয়ে। কেউ ঈদ উদযাপন করে দীর্ঘদিন পর গ্রামে গিয়ে সকলের সাথে দেখা সাক্ষাত করে। অনেকের আবার ঈদ হয় জুয়া খেলে কিংবা প্রেমময়ী সাক্ষাত দিয়ে। যাই হোক একেক জনের ঈদ হয় একেকভাবে কিন্তু প্রকৃত ঈদ কী তা কিন্তু অনেকেরই অজানা।
মূলত রমজানের ঈদ হলো রোজাদারের জন্য। আর কুরবানীর ঈদ হলো পশু কুরবানকারীর জন্য।
একজন রোজাদার সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও জৈবিক চাহিদা থেকে বিরত থাকে, দীর্ঘ সময় রাতের নামাজ পড়ে। রোজা রাখার কারণে দৃষ্টি হেফাজত করে। গান-বাজনা ও সিনেমা দেখা বন্ধ করে। মিথ্যা, গিবত, চোগলখোরী ও বিভিন্ন পাপকাজ, হারামকাজ থেকে বিরত থাকে। সবশেষে যখন সে একটি রাত ও দিন শেষ করে ইফতারের মাধ্যমে, তখন তার মন আনন্দে পুলকিত হয়ে ওঠে। তাই তো আল্লাহ তা'আলা বলেন "রোজাদারের দু'টি খুশি। ১) ইফতারের সময় ও ২) আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের সময়।"
কিন্তু যখন ৩০ দিনে ৩০ রাতের নামাজ ও ৩০টা রোজার এক সাথে পূর্ণতা লাভ হয় এবং এই বিশ্বাসে উপনিত হয় যে এখন আল্লাহ হয়তো আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিয়ে আমার উপর রাজি হবেন তখন রোজাদারের মনে মহা আনন্দের জোয়ার ওঠে। এই মহা আনন্দের জোয়ারই হলো প্রকৃত ঈদ। যা বেনামাজি ও বেরোজাদারের ভাগ্যে জোটে না।
একজন অটো রিকশাচালক যখন ৫/১০ টাকার জন্য ঝগড়া করে কিংবা ক্যাডারের কাছে ভাড়া চাইতে গিয়ে মার খায় সেও কিন্তু তার স্ত্রীকে হাজার টাকা উপহার দিয়ে কিংবা তার স্বপ্নের পথে হাটা সন্তানের পড়াশুনার খরচ বহনের জন্য হাজার হাজার টাকা ব্যয় করে আত্মতৃপ্তি লাভ করে।
ঠিক এভাবেই যখন আল্লাহর বান্দা নিজের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে পশু কিনে আল্লাহর জন্য জবাই করে(ফ্রিজ ভর্তির জন্য নয়) এবং এই বিশ্বাসে উপনীত হয় যে হয়তো আল্লাহ আমার প্রতি খুশি হয়েছেন তখন তার হৃদয়ে মহা আনন্দের জোয়ার ওঠে এই জোয়ারই হলো প্রকৃত ঈদ যা গোশতখোরদের ভাগ্যে জোটে না।
আল্লাহ তুমি আমাদেরকে প্রকৃত ঈদ উপলব্ধি করার তাওফিক দাও।


No comments