আমার ভাবনা-০৪

একই সংসারে থেকে মা-বাবার খেদমত করতে হবে এটা আল্লাহ বলেননি।
আবার আলাদা সংসার করা মানে যে মা-বাবা থেকে আলাদা হওয়া বিষয়টা এমন নয়।

★সন্তান মা-বাবার খেদমত করবে। অন্ন-বস্ত্র-চিকিৎসা দিবে। খাইতে না পারলে খাইয়ে দিবে। পরতে না পারলে পরিয়ে দিবে। বেশী অসুস্থ হলে পাশে থাকবে। কিন্তু স্ত্রী দিয়ে মায়ের খেদমত এটা তো আল্লাহ বলেননি।

★স্বামী স্ত্রীর খরচ বহন করবে। অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান দিবে। প্রস্তুতকৃত খাবার সামনে এনে দেয়ার দায়িত্ব স্বামীর। স্ত্রী রান্না করে খাবে এমনও নয়। এমন বাসস্থান দিবে যেখানে অন্য কারো প্রবেশাধিকার নেই।

★স্বামীর খেদমত করবে স্ত্রী। স্বামীর অনুপস্থিতিতে আমানত বজায় রাখবে। নিজের ইজ্জত স্বামীর জন্য হেফাজত করবে। স্বামীর কাছে নিজেকে সম্পূর্ণ সপে দিবে। তার মানে এই নয় স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে কাজ করাবে। খেদমত তো তাকেই বলা হয় যা স্বইচ্ছায় করা হয়।

★তবে হ্যাঁ, স্বামীর মা-বাবার খেদমত করা স্বামীকে খেদমত করার মত যদি স্বামী রোজগারের কারণে মায়ের খেদমত করতে না পায়।
স্বামী যদি কাজের মেয়ে রেখে স্ত্রীর খাবার রেডি করতে না পারে তাহলে স্বামীর ব্যস্ততার কারণে নিজে পাকিয়ে খাবে এবং স্বামীর জন্যও পাকাবে মহব্বতের দাবীতে, কোন অধিকারের দাবীতে নয়।

★স্ত্রী যদি তার শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমত করতে না চায় তাহলে বাধ্য করা যাবে না। কিন্তু ছেলে যদি মা-বাবার খেদমত না করে তাহলে বাধ্য করা হবে।

আমাদের দেশে এমন কিছু সামাজিক রীতি আছে যা ইসলামী রীতি নামে চালিয়ে দিয়ে মা-বাবা ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর উপর চালিয়ে দিচ্ছে যা নির্যাতনের নামান্তর। তবে অনেক ছেলে ও বউমা যে খুবই বেয়াদব তা অস্বীকার করার মত নয়।

লেখাটা অসম্পূর্ণ। এই বিষয়ে বইয়ের একটা সিরিজ লেখা যাবে। তবুও শেষ হওয়ার নয়।

No comments

Powered by Blogger.