পয়দা দিবস
আজ আমার পয়দা দিবস। তেইশ বছর পূর্ণ হলো আজ (২৮/১০/২০১৭)। জন্মেছিলাম লালমনিরহাট জেলার সাপ্টিবাড়িতে ১৯৯৪ সালের এই দিনে। আর বড় হয়েছিলাম কুড়িগ্রামের ভিতরবন্দে নানা বাড়িতে। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত ভিতরবন্দ স্কুলে পড়ে ভর্তি হই কুড়িগ্রাম দাশেরহাট মাদরাসার নূরানী বিভাগে(জানুয়ারি'০৬), তারপর কুরআন মুখস্থ শেষ করি রংপুরের মাহিগঞ্জে(জুলাই'০৮)। এরপর চলে আসি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়। এখানেই শেষ করি কওমি মাদরাসার শুরুর ক্লাস থেকে জামাতে মেশকাত ক্লাস পর্যন্ত(মে'১৭)।
কওমি মাদরাসা নিয়মিত পড়লেও পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছায় ক্লাস এইটের পরীক্ষা দেই রংপুরের পীরগাছায় পাওটানা মাদরাসা থেকে, যেখানে আমার বাবা জীবনের শেষ পর্যন্ত(ফেব্রুয়ারি'১৩) অধ্যাপনায় নিয়জিত ছিলেন। এরপর বিজ্ঞান বিভাগে দাখিল পরীক্ষা(SSC 2015) দেই লালমনিরহাট কামিল মাদরাসা থেকে। বিজ্ঞান বিভাগে সময় দিতে গিয়ে আমার মূল পড়া কওমি মাদরাসার পড়াশুনায় ব্যাঘাত ঘটছে দেখে মানবিকে আলিম পরীক্ষা(HSC 2017) দেই নারায়ণগঞ্জের মদনপুর মাদরাসা থেকে। সবগুলো পরীক্ষার জন্যে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম দুই-থেকে তিন মাস পর্যন্ত। বাকি সময়গুলো কওমি মাদরাসার পড়াশুনায় কাজে লাগিয়েছি।
সেপ্টেমবর'১৭ তে দেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিকের ভর্তি পরীক্ষা, ফলাফলে আমার নাম আসে মেধাতালিকার ১১৯২ সিরিয়ালে, ডিসেম্বরে ওখানেই ভর্তি হবো ইনশাআল্লাহ। অপরদিকে কওমি মাদরাসার সর্বশেষ ক্লাস দাওরায়ে হাদিসে ভর্তি হয়ে যাই যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসায়।
এ গেলো আমার জীবনের চলার পথ। লক্ষ্য, কুরআন-সুন্নাহর সঠিক প্রচারণায় নিজেকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানো। এই কাজের জন্যে নিজেকে প্রস্তুত করছি এই আরকি। আমার কোন ক্ষমতা নেই আল্লাহর তাওফীক ছাড়া। তাই চেষ্টা আমার, পুর্ণতা দান আল্লাহর।
জীবনের ২৩ বছরকে চোখের সামনে নিয়ে আসলে ভেসে ওঠে অনেক সময় অপচয় ও ব্যর্থতার চিত্র। কত আশা ছিলো, অনেক বড় লক্ষ্য ছিলো তা হারিয়ে গেছে নিজের সময় অপচয় ও অলসতার কারণে।
এই ছোট্ট জীবনে দেখা হয়েছে নতুন কিছু মুখের। কেউ হৃদয়ের ভিতরে ঢুকেছে কেউ বা আরো গহিনে। তবে হৃদয় থেকে বের হয়ে যায়নি কেউ। অনেককেই কল দিতে পারি না বা তাদের খোঁজ নিতে পারিনা শুধু নিজের অবহেলায় তাই বলে তারা কিন্তু হারিয়ে যায়নি, বরং রয়ে গেছে স্মৃতির পাতায়।
যেসব জায়গায় পরিচিত হয়েছি অনেকের।
০১) লালমনিরহাট, নিজের এলাকা ও মাদরাসা, মসজিদ
০২) কুড়িগ্রামের ভিতরবন্দ, নাগেশ্বরী, দাশেরহাট মাদরাসা ও ধরলাব্রিজের পাশে এক মাদরাসা।
০৩) রংপুরের পাওটানা মাদরাসা, মাহিগঞ্জ মাদরাসা
০৪) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর, নানাখি মাদরাসা, নয়াপুর মাদরাসা, পরমেশ্বরদি মাদরাসা, বানেশ্বরদি মসজিদ, শিংরাবো মসজিদ, নেক্সট এক্সেসরিজ লিমিটেডের মসজিদ। মদনপুর মাদরাসা, শহরের ফোকাস কোচিং।
০৫) চট্টগ্রামের চুয়েট, হাটহাজারী মাদরাসা।
০৬) ঢাকার যাত্রাবাড়ী মাদরাসা
০৭) ফেসবুক
এই ছোট্ট জীবনে দেখেছি অনেককে আমি কষ্ট দিয়েছি, সাথে সাথে মাফ চাইতে পারিনি নিজের আত্মগরিমার কারণে কিন্তু যখন তা দূর হয়েছে তখন তাদের কাছে মাফ চাওয়ার সুযোগ হারিয়ে গেছে।
অনেকেই আমার অতিরিক্ত কথায় মন খারাপ করে কিন্তু সে যদি তৎক্ষণাৎ তার মন খারাপের ব্যাপারটা জানায় তাহলে আমি বিষয়টা বুঝিয়ে বলি কিংবা মাফ চাই। কিন্তু কিছু না বললে থেকে যায় মনোমালিন্য। এই শুভ দিনে তাদের কাছে চাই ক্ষমা ও দোয়া।
সবশেষ যারা জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে তাদের জানাই হৃদয়ের গভীর থেকে অকৃত্রিম ভালোবাসাযুক্ত শুভেচ্ছা। বিশেষ করে যে প্রথমে শুভেচ্ছা জানিয়েছে।
সকলের কাছে দোয়া চাই আমার বাবার রূহের মাগফেরাত, মা ও নানির সুস্থতা এবং আমার জীবনের সফলতার।
কওমি মাদরাসা নিয়মিত পড়লেও পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছায় ক্লাস এইটের পরীক্ষা দেই রংপুরের পীরগাছায় পাওটানা মাদরাসা থেকে, যেখানে আমার বাবা জীবনের শেষ পর্যন্ত(ফেব্রুয়ারি'১৩) অধ্যাপনায় নিয়জিত ছিলেন। এরপর বিজ্ঞান বিভাগে দাখিল পরীক্ষা(SSC 2015) দেই লালমনিরহাট কামিল মাদরাসা থেকে। বিজ্ঞান বিভাগে সময় দিতে গিয়ে আমার মূল পড়া কওমি মাদরাসার পড়াশুনায় ব্যাঘাত ঘটছে দেখে মানবিকে আলিম পরীক্ষা(HSC 2017) দেই নারায়ণগঞ্জের মদনপুর মাদরাসা থেকে। সবগুলো পরীক্ষার জন্যে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম দুই-থেকে তিন মাস পর্যন্ত। বাকি সময়গুলো কওমি মাদরাসার পড়াশুনায় কাজে লাগিয়েছি।
সেপ্টেমবর'১৭ তে দেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিকের ভর্তি পরীক্ষা, ফলাফলে আমার নাম আসে মেধাতালিকার ১১৯২ সিরিয়ালে, ডিসেম্বরে ওখানেই ভর্তি হবো ইনশাআল্লাহ। অপরদিকে কওমি মাদরাসার সর্বশেষ ক্লাস দাওরায়ে হাদিসে ভর্তি হয়ে যাই যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসায়।
এ গেলো আমার জীবনের চলার পথ। লক্ষ্য, কুরআন-সুন্নাহর সঠিক প্রচারণায় নিজেকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানো। এই কাজের জন্যে নিজেকে প্রস্তুত করছি এই আরকি। আমার কোন ক্ষমতা নেই আল্লাহর তাওফীক ছাড়া। তাই চেষ্টা আমার, পুর্ণতা দান আল্লাহর।
জীবনের ২৩ বছরকে চোখের সামনে নিয়ে আসলে ভেসে ওঠে অনেক সময় অপচয় ও ব্যর্থতার চিত্র। কত আশা ছিলো, অনেক বড় লক্ষ্য ছিলো তা হারিয়ে গেছে নিজের সময় অপচয় ও অলসতার কারণে।
এই ছোট্ট জীবনে দেখা হয়েছে নতুন কিছু মুখের। কেউ হৃদয়ের ভিতরে ঢুকেছে কেউ বা আরো গহিনে। তবে হৃদয় থেকে বের হয়ে যায়নি কেউ। অনেককেই কল দিতে পারি না বা তাদের খোঁজ নিতে পারিনা শুধু নিজের অবহেলায় তাই বলে তারা কিন্তু হারিয়ে যায়নি, বরং রয়ে গেছে স্মৃতির পাতায়।
যেসব জায়গায় পরিচিত হয়েছি অনেকের।
০১) লালমনিরহাট, নিজের এলাকা ও মাদরাসা, মসজিদ
০২) কুড়িগ্রামের ভিতরবন্দ, নাগেশ্বরী, দাশেরহাট মাদরাসা ও ধরলাব্রিজের পাশে এক মাদরাসা।
০৩) রংপুরের পাওটানা মাদরাসা, মাহিগঞ্জ মাদরাসা
০৪) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর, নানাখি মাদরাসা, নয়াপুর মাদরাসা, পরমেশ্বরদি মাদরাসা, বানেশ্বরদি মসজিদ, শিংরাবো মসজিদ, নেক্সট এক্সেসরিজ লিমিটেডের মসজিদ। মদনপুর মাদরাসা, শহরের ফোকাস কোচিং।
০৫) চট্টগ্রামের চুয়েট, হাটহাজারী মাদরাসা।
০৬) ঢাকার যাত্রাবাড়ী মাদরাসা
০৭) ফেসবুক
এই ছোট্ট জীবনে দেখেছি অনেককে আমি কষ্ট দিয়েছি, সাথে সাথে মাফ চাইতে পারিনি নিজের আত্মগরিমার কারণে কিন্তু যখন তা দূর হয়েছে তখন তাদের কাছে মাফ চাওয়ার সুযোগ হারিয়ে গেছে।
অনেকেই আমার অতিরিক্ত কথায় মন খারাপ করে কিন্তু সে যদি তৎক্ষণাৎ তার মন খারাপের ব্যাপারটা জানায় তাহলে আমি বিষয়টা বুঝিয়ে বলি কিংবা মাফ চাই। কিন্তু কিছু না বললে থেকে যায় মনোমালিন্য। এই শুভ দিনে তাদের কাছে চাই ক্ষমা ও দোয়া।
সবশেষ যারা জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে তাদের জানাই হৃদয়ের গভীর থেকে অকৃত্রিম ভালোবাসাযুক্ত শুভেচ্ছা। বিশেষ করে যে প্রথমে শুভেচ্ছা জানিয়েছে।
সকলের কাছে দোয়া চাই আমার বাবার রূহের মাগফেরাত, মা ও নানির সুস্থতা এবং আমার জীবনের সফলতার।


No comments